০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে বিএনপির একজন নিহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৯ টাইম ভিউ

মুকসুদপুর : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিলু মুন্সী নামে এক নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কমলাপুর গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

নিহত নিলু মুন্সী (৫০) ওই এলাকার আনোয়ার মুন্সীর ছেলে ও স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি নেতা।

আহতদের মধ্যে নিহত নিলু মুন্সীর স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২), দুলাল মুন্সী (৪০) ও নূর ইসলাম (৩৩) রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আনোয়ার মুন্সী গ্রুপ ও নূর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়। আহতদের মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে চারজনের মধ্যে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নিলু মুন্সীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,এলাকার শান্ত বজায় রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

মুকসুদপুরে বিএনপির একজন নিহত

আপডেটের সময় : ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুকসুদপুর : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিলু মুন্সী নামে এক নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কমলাপুর গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

নিহত নিলু মুন্সী (৫০) ওই এলাকার আনোয়ার মুন্সীর ছেলে ও স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি নেতা।

আহতদের মধ্যে নিহত নিলু মুন্সীর স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২), দুলাল মুন্সী (৪০) ও নূর ইসলাম (৩৩) রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আনোয়ার মুন্সী গ্রুপ ও নূর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়। আহতদের মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে চারজনের মধ্যে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নিলু মুন্সীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,এলাকার শান্ত বজায় রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।