০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ১১:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১২৩ টাইম ভিউ

( কমলনগরলক্ষ্মীপুর) : গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ বুধবার বাদ আসর থেকে শুরু করে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা জামে মসজিদে পূর্ব ঘোষিত নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সুফিয়া দারুল আমান দাখিল মাদ্রাসার প্রয়াত সুপার মাওলানা মাকবুল আহমদ সাহেবের মৃত্যু পরবর্তী স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।উক্ত দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য আলেম মাওলানা জায়েদ হোছাইন ফারুকী হুজুর।বিশেষ মেহমান ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এ.আর.হাফিজ উল্যাহ।কমলনগর উপজেলার সকল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও শিক্ষকবৃন্দ সহ সাধারণ মুসল্লিগন মিলে ২০০ লোকের আয়োজন ছিল উক্ত দোয়ার অনুষ্ঠানে।আলোচনা দোয়া শেষে সকলের জন্য তাবাররুক বিতরণ করা হয়।দাওয়াতি মেহমানগন অধ্যক্ষ সাহেবের অফিস কক্ষে বসে দোয়া অনুষ্ঠানের তাবাররুক খাচ্ছিলেন এমন সময় মাদ্রাসার গভর্নিংবডির ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আকতার হোসেন মিলন মিঞা অতিথিবৃন্দের সামনে উপস্থিত হয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে লক্ষ করে বলেন আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করতে চাই।আপনার হাতে আমাকে জামায়াতে ইসলামীতে অন্তর্ভুক্ত করে নিন।জামায়াত নেতা মেহমানদের সাথে নিয়ে তাই করলেন।এই মূহুর্তে অধ্যক্ষ সাহেবের কি করার আছে।তিনি কি মাদ্রাসার ভাইস চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মিলন সহ জায়েদ হোছাইন ফারুকী হুজুরের মতো এত বড় দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কিরাম কে অফিস থেকে বের করে দিবেন?তখন তাঁর কি করণীয় ছিল। বিচারের ভার আপনাদের উপর রইলো।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো একজন প্রতিষ্ঠান প্রধান এর ইন্তেকালের পর তাঁর জন্য আয়োজিত এত বড় দোয়ার অনুষ্ঠান সম্পর্কে একটা শব্দও আমার
সোস্যাল মিডিয়ার ভাইয়েরা লিখলেন না।
হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা অত্র উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।এ প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় সকল রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ স্বাভাবিকভাবেই অধ্যক্ষ সাহেবের অফিস কক্ষে চা,আপ্যায়ন করে থাকেন।এমনকি নেতৃবৃন্দ চা আপ্যায়
নের সময় দলীয় লোকজনের বিভিন্ন ধরনের আবেদন গ্রহণ করেছেন ও সই স্বাক্ষর দিয়েছেন।এমন উদাহরণও রয়েছে।অধ্যক্ষের অফিস সকল দলের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত।আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন।
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন
হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা
কমলনগর লক্ষ্মীপুর।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

আপডেটের সময় : ১১:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

( কমলনগরলক্ষ্মীপুর) : গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ বুধবার বাদ আসর থেকে শুরু করে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা জামে মসজিদে পূর্ব ঘোষিত নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সুফিয়া দারুল আমান দাখিল মাদ্রাসার প্রয়াত সুপার মাওলানা মাকবুল আহমদ সাহেবের মৃত্যু পরবর্তী স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।উক্ত দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য আলেম মাওলানা জায়েদ হোছাইন ফারুকী হুজুর।বিশেষ মেহমান ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এ.আর.হাফিজ উল্যাহ।কমলনগর উপজেলার সকল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও শিক্ষকবৃন্দ সহ সাধারণ মুসল্লিগন মিলে ২০০ লোকের আয়োজন ছিল উক্ত দোয়ার অনুষ্ঠানে।আলোচনা দোয়া শেষে সকলের জন্য তাবাররুক বিতরণ করা হয়।দাওয়াতি মেহমানগন অধ্যক্ষ সাহেবের অফিস কক্ষে বসে দোয়া অনুষ্ঠানের তাবাররুক খাচ্ছিলেন এমন সময় মাদ্রাসার গভর্নিংবডির ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আকতার হোসেন মিলন মিঞা অতিথিবৃন্দের সামনে উপস্থিত হয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে লক্ষ করে বলেন আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করতে চাই।আপনার হাতে আমাকে জামায়াতে ইসলামীতে অন্তর্ভুক্ত করে নিন।জামায়াত নেতা মেহমানদের সাথে নিয়ে তাই করলেন।এই মূহুর্তে অধ্যক্ষ সাহেবের কি করার আছে।তিনি কি মাদ্রাসার ভাইস চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মিলন সহ জায়েদ হোছাইন ফারুকী হুজুরের মতো এত বড় দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কিরাম কে অফিস থেকে বের করে দিবেন?তখন তাঁর কি করণীয় ছিল। বিচারের ভার আপনাদের উপর রইলো।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো একজন প্রতিষ্ঠান প্রধান এর ইন্তেকালের পর তাঁর জন্য আয়োজিত এত বড় দোয়ার অনুষ্ঠান সম্পর্কে একটা শব্দও আমার
সোস্যাল মিডিয়ার ভাইয়েরা লিখলেন না।
হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা অত্র উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।এ প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় সকল রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ স্বাভাবিকভাবেই অধ্যক্ষ সাহেবের অফিস কক্ষে চা,আপ্যায়ন করে থাকেন।এমনকি নেতৃবৃন্দ চা আপ্যায়
নের সময় দলীয় লোকজনের বিভিন্ন ধরনের আবেদন গ্রহণ করেছেন ও সই স্বাক্ষর দিয়েছেন।এমন উদাহরণও রয়েছে।অধ্যক্ষের অফিস সকল দলের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত।আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন।
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন
হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা
কমলনগর লক্ষ্মীপুর।