১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতে তারেক রহমান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৭:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ টাইম ভিউ

ডেস্ক নিউজ : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সমাধিস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে কবর জিয়ারত করেন।

পরে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবর জিয়ারত করেন তিনি। এসময়, একমিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে জাতীয় কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানসহ অনেকে।

এর আগে, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। এরপর তারেক রহমান আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন করবেন। তবে বিএনপির মিডিয়া সেল ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত না থাকায় তারেক রহমান পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন না।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। ১৯ বছর পর প্রয়াত রাষ্ট্রপতির সমাধিতে গিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে দুই হাত তুলে নিজেই দোয়া করেন তিনি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার সমাধিতে। পরে সড়কের জনস্রোত ঠেলে জিয়াউর রহমানের সমাধি থেকে সাভার পৌঁছাতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। স্বাক্ষর করেন স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। এরপর ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার অস্ত্রোপচার হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নেয়া হয়েছিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ১৯ ডিসেম্বর রাতে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। এরপর ২০ ডিসেম্বর ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতে তারেক রহমান

আপডেটের সময় : ০৭:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ডেস্ক নিউজ : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সমাধিস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে কবর জিয়ারত করেন।

পরে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবর জিয়ারত করেন তিনি। এসময়, একমিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে জাতীয় কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানসহ অনেকে।

এর আগে, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। এরপর তারেক রহমান আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন করবেন। তবে বিএনপির মিডিয়া সেল ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত না থাকায় তারেক রহমান পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন না।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। ১৯ বছর পর প্রয়াত রাষ্ট্রপতির সমাধিতে গিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে দুই হাত তুলে নিজেই দোয়া করেন তিনি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার সমাধিতে। পরে সড়কের জনস্রোত ঠেলে জিয়াউর রহমানের সমাধি থেকে সাভার পৌঁছাতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। স্বাক্ষর করেন স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। এরপর ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার অস্ত্রোপচার হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নেয়া হয়েছিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ১৯ ডিসেম্বর রাতে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। এরপর ২০ ডিসেম্বর ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।