১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যতোদিন বুকে দম আছে এই হত্যার বিচার আমি করেই ছাড়বো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৩:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৫ টাইম ভিউ

বিডিআর সাবেক ডিজি শাকিলের ছেলে রাকিন : শরীরের সেনা রক্ত, এখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না দৃঢ়চেতা কন্ঠে বললেন জেনারেল শাকিলের ছেলে রাকিন। আমি জেনারেল শাকিলের সন্তান, কোনো ছাড় দেয়া হবে না এখানে, ১৬ বছর এতিম হয়ে ঘুরেছি। এদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতেই হবে, যতোদিন বুকে দম আছে এই হত্যার বিচার আমি করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

শুরুতে তিনি বলেন রৌমারির বড়াইবাড়ির যুদ্ধে আমার বাবা রংপুর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, ওই যুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে এসেছিলেন। তখন থেকেই আমার বাবা জেনারেল শাকিল, ভারতের কাছে একটি টার্গেট হয়ে দাড়াই যায়। বাবা যখন বিডিআরের ডিজি হন তখন থেকে ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।

বাবা যখন ডিজি ২০০৭-৮ সাল থেকেই ভারত পরিকল্পনা শুরু করে, যার কারনেই এই বিডিআর হত্যাকান্ড। আর শেখ হাসিনা ভারতের স্বার্থে ও নিজে ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে, এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের বাস্তবায়ন ঘটায়! এই বিচার প্রথম আমদের দেশের মীরজাফরদের দিয়ে শুরু করতে হবে।

যে সেনা কর্মকর্তারা আমার বাবাদের সাথে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার সাথে বেইমানি করেছে, তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতেই হবে। যদি এই মীরজাফরদের বিচার করা না হয়, তবে ভবিষ্যতে আরো একটি পিলখানা হত্যাকান্ড ঘটতে পারে। ২০০৯ সালের পর সেনাবাহিনীর ইউনিটি নষ্ট হয়ে গেছে।

একটা ডিজট্রাস্ট তৈরি হয়েছিল জুনিয়র অফিসার সিনিয়র অফিসার কে বিশ্বাস করতে পারত না। আগে একটা নন কমিশন সৈনিকের উপর কিছু হলে সবাই আগাই যাইতো, সেনাবাহিনীর তখন সেই ইউনিটি ছিল, এমন সেনাবাহিনীকে আমার বাবা নেতৃত্ব দিয়েছিল, ৫৭ সেনা অফিসার নেতৃত্ব দিয়েছিল।

এই বর্বর হত্যাকান্ডে তাদের আমার বাবা মাকে হত্যা করে শান্তি হয় নাই, আমাদের পরিবারের নাম খারাপ করতে লিপ্ত হয়েছে। শুধু একটাই কারন ভারত বিরোধী কোনো সেনাবাহিনী হতে পারবে না, যদি হয় তাহলে পিলখানার মতই তার অবস্থা হবে। শুধু অফিসারদের তো শেষ করেনাই পরিবারের মানহানি করেও শেষ করছে মুন্নি সাহা প্রথম শুরু করে সেটা।

রিপোর্টে যাদের নাম এসেছে আমরা চাই সরকার এখনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করুক। আর ১৬ বছরে অনেক সামরিক কর্মকর্তা অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়েছেন, চাকরিচ্যুত হয়েছেন অন্যায়ভাবে কোনো বিডিআর সৈনিক ও যদি চাকরিচ্যুত হয়, তাদের পক্ষে যেনো সরকার পদক্ষেপ নেয় এই জোর দাবি জানাচ্ছি।

২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের সময় জেনারেল শাকিল কে ব্রাশফায়ার করে শহীদ করা হয়, সাথে তার স্ত্রী ও ছিলেন তাদের টার্গেটে। স্কুলে থাকায় বেঁচে যায় তার ছেলেমেয়ে। সেদিন ছিল জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়, ৫৭ সেনা কর্মকর্তা হত্যা করে সেনাবাহিনীকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছিল।

আজ সেই হত্যাকান্ডের প্রকৃত সত্য উন্মোচন হয়েছে জাতির সামনে, আজ সবাই বুঝতে পেরেছে কে ছিল মদদ দাতা। কাদের স্বার্থ রক্ষায় এই হত্যাকান্ড, কেনো সেনাবাহিনীকে বিডিআর কে টার্গেট করা হয়। কেনো আমাদের এতোদিন অন্ধকারে রাখা হয়েছে, কেনোই বা সৎ অফিসারদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

যতোদিন বুকে দম আছে এই হত্যার বিচার আমি করেই ছাড়বো

আপডেটের সময় : ০৩:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিডিআর সাবেক ডিজি শাকিলের ছেলে রাকিন : শরীরের সেনা রক্ত, এখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না দৃঢ়চেতা কন্ঠে বললেন জেনারেল শাকিলের ছেলে রাকিন। আমি জেনারেল শাকিলের সন্তান, কোনো ছাড় দেয়া হবে না এখানে, ১৬ বছর এতিম হয়ে ঘুরেছি। এদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতেই হবে, যতোদিন বুকে দম আছে এই হত্যার বিচার আমি করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

শুরুতে তিনি বলেন রৌমারির বড়াইবাড়ির যুদ্ধে আমার বাবা রংপুর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, ওই যুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে এসেছিলেন। তখন থেকেই আমার বাবা জেনারেল শাকিল, ভারতের কাছে একটি টার্গেট হয়ে দাড়াই যায়। বাবা যখন বিডিআরের ডিজি হন তখন থেকে ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।

বাবা যখন ডিজি ২০০৭-৮ সাল থেকেই ভারত পরিকল্পনা শুরু করে, যার কারনেই এই বিডিআর হত্যাকান্ড। আর শেখ হাসিনা ভারতের স্বার্থে ও নিজে ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে, এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের বাস্তবায়ন ঘটায়! এই বিচার প্রথম আমদের দেশের মীরজাফরদের দিয়ে শুরু করতে হবে।

যে সেনা কর্মকর্তারা আমার বাবাদের সাথে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার সাথে বেইমানি করেছে, তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতেই হবে। যদি এই মীরজাফরদের বিচার করা না হয়, তবে ভবিষ্যতে আরো একটি পিলখানা হত্যাকান্ড ঘটতে পারে। ২০০৯ সালের পর সেনাবাহিনীর ইউনিটি নষ্ট হয়ে গেছে।

একটা ডিজট্রাস্ট তৈরি হয়েছিল জুনিয়র অফিসার সিনিয়র অফিসার কে বিশ্বাস করতে পারত না। আগে একটা নন কমিশন সৈনিকের উপর কিছু হলে সবাই আগাই যাইতো, সেনাবাহিনীর তখন সেই ইউনিটি ছিল, এমন সেনাবাহিনীকে আমার বাবা নেতৃত্ব দিয়েছিল, ৫৭ সেনা অফিসার নেতৃত্ব দিয়েছিল।

এই বর্বর হত্যাকান্ডে তাদের আমার বাবা মাকে হত্যা করে শান্তি হয় নাই, আমাদের পরিবারের নাম খারাপ করতে লিপ্ত হয়েছে। শুধু একটাই কারন ভারত বিরোধী কোনো সেনাবাহিনী হতে পারবে না, যদি হয় তাহলে পিলখানার মতই তার অবস্থা হবে। শুধু অফিসারদের তো শেষ করেনাই পরিবারের মানহানি করেও শেষ করছে মুন্নি সাহা প্রথম শুরু করে সেটা।

রিপোর্টে যাদের নাম এসেছে আমরা চাই সরকার এখনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করুক। আর ১৬ বছরে অনেক সামরিক কর্মকর্তা অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়েছেন, চাকরিচ্যুত হয়েছেন অন্যায়ভাবে কোনো বিডিআর সৈনিক ও যদি চাকরিচ্যুত হয়, তাদের পক্ষে যেনো সরকার পদক্ষেপ নেয় এই জোর দাবি জানাচ্ছি।

২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের সময় জেনারেল শাকিল কে ব্রাশফায়ার করে শহীদ করা হয়, সাথে তার স্ত্রী ও ছিলেন তাদের টার্গেটে। স্কুলে থাকায় বেঁচে যায় তার ছেলেমেয়ে। সেদিন ছিল জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়, ৫৭ সেনা কর্মকর্তা হত্যা করে সেনাবাহিনীকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছিল।

আজ সেই হত্যাকান্ডের প্রকৃত সত্য উন্মোচন হয়েছে জাতির সামনে, আজ সবাই বুঝতে পেরেছে কে ছিল মদদ দাতা। কাদের স্বার্থ রক্ষায় এই হত্যাকান্ড, কেনো সেনাবাহিনীকে বিডিআর কে টার্গেট করা হয়। কেনো আমাদের এতোদিন অন্ধকারে রাখা হয়েছে, কেনোই বা সৎ অফিসারদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।