০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুরুতর অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন তারেক রহমান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৩:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৫ টাইম ভিউ

ডেস্ক নিউজ : গুরুতর অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশে ফেরার প্রসঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় থাকা খালেদা জিয়ার জন্য দেশজুড়ে দোয়ার ধারাবাহিকতার মধ্যে তিনি জানান, মায়ের কাছে ছুটে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর দেশে ফেরা একক সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। পরিবার আশা করছে—পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকালে দেওয়া তারেক রহমানের পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

গুরুতর অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন তারেক রহমান

আপডেটের সময় : ০৩:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ডেস্ক নিউজ : গুরুতর অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশে ফেরার প্রসঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় থাকা খালেদা জিয়ার জন্য দেশজুড়ে দোয়ার ধারাবাহিকতার মধ্যে তিনি জানান, মায়ের কাছে ছুটে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর দেশে ফেরা একক সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। পরিবার আশা করছে—পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকালে দেওয়া তারেক রহমানের পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’