০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান বিচারপতি বিদায়ী অভিভাষণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৪:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৫ টাইম ভিউ

ডেস্ক নিউজ : আগামী ১৪ ডিসেম্বর দেশের সব জেলা ও মহানগর আদালতের বিচারকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ উপলক্ষে জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিত থাকার জন্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রধান বিচারপতি ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে দেশের জেলা আদালতসমূহে কর্মরত উচ্চপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অধিবেশনে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ দেশের সব জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ প্রদান করবেন।

বিদায়ী অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের সংস্কার ও বিচার বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে তিনি যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলেন তার বাস্তবায়নে গত দেড় বছরে গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিষয়ে আলোকপাত করবেন। বিশেষ করে চলমান বিচার বিভাগীয় সংস্কার কার্যক্রম তথা প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, আদালতের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, অধস্তন আদালতের বিচারকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ এবং মামলাজট নিরসনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বিচার বিভাগ সংস্কারের ঐতিহাসিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রোডম্যাপে তিনি বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। তার ঘোষিত সেই রোডম্যাপ রূপরেখাকে ঘিরেই গত দেড় বছরে বিচার বিভাগে বিভিন্নমুখী সংস্কার হয়েছে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

প্রধান বিচারপতি বিদায়ী অভিভাষণ

আপডেটের সময় : ০৪:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

ডেস্ক নিউজ : আগামী ১৪ ডিসেম্বর দেশের সব জেলা ও মহানগর আদালতের বিচারকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ উপলক্ষে জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিত থাকার জন্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রধান বিচারপতি ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে দেশের জেলা আদালতসমূহে কর্মরত উচ্চপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অধিবেশনে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ দেশের সব জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ প্রদান করবেন।

বিদায়ী অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের সংস্কার ও বিচার বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে তিনি যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলেন তার বাস্তবায়নে গত দেড় বছরে গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিষয়ে আলোকপাত করবেন। বিশেষ করে চলমান বিচার বিভাগীয় সংস্কার কার্যক্রম তথা প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, আদালতের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, অধস্তন আদালতের বিচারকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ এবং মামলাজট নিরসনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বিচার বিভাগ সংস্কারের ঐতিহাসিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রোডম্যাপে তিনি বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। তার ঘোষিত সেই রোডম্যাপ রূপরেখাকে ঘিরেই গত দেড় বছরে বিচার বিভাগে বিভিন্নমুখী সংস্কার হয়েছে।