১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যা মামলার ভিকটিম আদালতে এসে স্বামীকে দিলো তালাক!

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৩ টাইম ভিউ


‎(কমলনগর-লক্ষ্মীপুর):লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তানিয়া বেগম (২১) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা হওয়ার তিন মাস পর তিনি হঠাৎ জীবিত ফিরে এসে আদালতে হাজির হয়েছেন। শুধু তাই নয়, আদালতে গিয়ে স্বামীকে তালাকও দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎তিন মাস আগে স্বামী, শ্বশুর, দেবরসহ পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন তানিয়ার বোন রিনা আক্তার। অভিযোগ ছিল- শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। এরপর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তানিয়া স্বশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে তালাক দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন।

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে চর কাদিরা ইউনিয়নের মোহাম্মদ উল্লাহ বেপারীর ছেলে দেলোয়ারের সঙ্গে বিয়ে হয় তানিয়ার। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। গত ৯ জুন রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরে ১৩ জুন বোন রিনা আদালতে হত্যা মামলা করেন।


‎শ্বশুর মোহাম্মদ উল্লাহ বেপারী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছে। এতে তাদের পরিবার সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন তানিয়া জীবিত ফিরে আসায় তারা প্রকৃত ঘটনার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান। এ বিষয়ে কমলনগর থানার ওসি তহিদুল ইসলাম বলেন, এখনও কেউ আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। আইনি সহায়তা চাইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

হত্যা মামলার ভিকটিম আদালতে এসে স্বামীকে দিলো তালাক!

আপডেটের সময় : ০৫:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫


‎(কমলনগর-লক্ষ্মীপুর):লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তানিয়া বেগম (২১) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা হওয়ার তিন মাস পর তিনি হঠাৎ জীবিত ফিরে এসে আদালতে হাজির হয়েছেন। শুধু তাই নয়, আদালতে গিয়ে স্বামীকে তালাকও দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎তিন মাস আগে স্বামী, শ্বশুর, দেবরসহ পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন তানিয়ার বোন রিনা আক্তার। অভিযোগ ছিল- শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। এরপর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তানিয়া স্বশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে তালাক দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন।

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে চর কাদিরা ইউনিয়নের মোহাম্মদ উল্লাহ বেপারীর ছেলে দেলোয়ারের সঙ্গে বিয়ে হয় তানিয়ার। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। গত ৯ জুন রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরে ১৩ জুন বোন রিনা আদালতে হত্যা মামলা করেন।


‎শ্বশুর মোহাম্মদ উল্লাহ বেপারী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছে। এতে তাদের পরিবার সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন তানিয়া জীবিত ফিরে আসায় তারা প্রকৃত ঘটনার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চান। এ বিষয়ে কমলনগর থানার ওসি তহিদুল ইসলাম বলেন, এখনও কেউ আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। আইনি সহায়তা চাইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।