০১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কেন এপ্রিলে –আসিফ নজরুল

ঢাকা:বাংলাদেশে আগামী বছরের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এপ্রিল মাস কেন নির্ধারণ করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

শুক্রবার (৬ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন আসিফ নজরুল।

তিনি লিখেছেন, অনেক কিছু বিবেচনা করে এপ্রিলের প্রথমার্থ নির্বাচনের জন্য ঠিক করা হয়েছে। বিচার ও সংস্কারের কাজ গ্রহনযোগ্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ রয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের প্রথমবারের ভোটদানের সুযোগ রাখা, তরুণদের ভোটাধিকারের সুযোগ বিস্তৃত করা এবং নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও লিখেছেন, উপরোক্ত প্রেক্ষিতে, ঈদের পর দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের সময় ঠিক করা হয়েছে। প্রশ্ন হতে পারে, নির্বাচন কি রোজার আগে ফেব্রুয়ারিতে করা যেত। হয়তো যেত। কিন্তু ফেব্রুয়ারির বদলে যে এপ্রিল করা হয়েছে, এর পেছনে কাজ করেছে নির্বাচনকে সম্ভাব্য সর্বাত্নকভাবে সুষ্ঠু করা এবং যতবেশি পারা যায় ভোটারদের অন্তর্ভূক্ত করার চিন্তা।

তিনি আরো লিখেছেন, সবার কাছে অনুরোধ রইলো, ঐক্যমতের ভিত্তিতে এখন শুধু নির্বাচন না, সংস্কারের কাজকেও এগিয়ে নেয়ার।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

নির্বাচন কেন এপ্রিলে –আসিফ নজরুল

আপডেটের সময় : ০৫:১৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

ঢাকা:বাংলাদেশে আগামী বছরের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এপ্রিল মাস কেন নির্ধারণ করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

শুক্রবার (৬ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন আসিফ নজরুল।

তিনি লিখেছেন, অনেক কিছু বিবেচনা করে এপ্রিলের প্রথমার্থ নির্বাচনের জন্য ঠিক করা হয়েছে। বিচার ও সংস্কারের কাজ গ্রহনযোগ্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ রয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের প্রথমবারের ভোটদানের সুযোগ রাখা, তরুণদের ভোটাধিকারের সুযোগ বিস্তৃত করা এবং নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও লিখেছেন, উপরোক্ত প্রেক্ষিতে, ঈদের পর দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের সময় ঠিক করা হয়েছে। প্রশ্ন হতে পারে, নির্বাচন কি রোজার আগে ফেব্রুয়ারিতে করা যেত। হয়তো যেত। কিন্তু ফেব্রুয়ারির বদলে যে এপ্রিল করা হয়েছে, এর পেছনে কাজ করেছে নির্বাচনকে সম্ভাব্য সর্বাত্নকভাবে সুষ্ঠু করা এবং যতবেশি পারা যায় ভোটারদের অন্তর্ভূক্ত করার চিন্তা।

তিনি আরো লিখেছেন, সবার কাছে অনুরোধ রইলো, ঐক্যমতের ভিত্তিতে এখন শুধু নির্বাচন না, সংস্কারের কাজকেও এগিয়ে নেয়ার।