০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের নারী সদস্য (রোকন)কে হত্যা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০১:১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৬২ টাইম ভিউ

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে জামায়াতে ইসলামির রোকন সদস্য এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তবে অক্ষত রয়েছে তার সাত মাসের সন্তান।

২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মিনারা খাতুন (৪০)। তিনি উপজেলা জামায়াতের রোকন এবং মিরপুর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। তার স্বামী আব্দুল আহাদ বাহুবল উপজেলা জামায়াতে ইসলামির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি।

আহাদ জানান, শুক্রবার সকালে উপজেলা পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পরে তিনি দলীয় একটি সভায় যোগ দেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাড়িতে এসে দেখতে পান, ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে অন্ধকার। লাইট জ্বালানোর পর তিনি তার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে এবং তাদের সাত মাসের একটি শিশু পুত্র খাটের নিচে পড়ে থাকতে দেখেন।

এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এসে জড়ো হয়। পরে খবর পেয়ে বাহুবল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসপি হায়াতুন্নবী জানান, হত্যার কারণ জানা যায়নি। তদন্ত শেষে বলা যাবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জামায়াতের নারী সদস্য (রোকন)কে হত্যা

আপডেটের সময় : ০১:১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে জামায়াতে ইসলামির রোকন সদস্য এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তবে অক্ষত রয়েছে তার সাত মাসের সন্তান।

২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মিনারা খাতুন (৪০)। তিনি উপজেলা জামায়াতের রোকন এবং মিরপুর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। তার স্বামী আব্দুল আহাদ বাহুবল উপজেলা জামায়াতে ইসলামির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি।

আহাদ জানান, শুক্রবার সকালে উপজেলা পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পরে তিনি দলীয় একটি সভায় যোগ দেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাড়িতে এসে দেখতে পান, ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে অন্ধকার। লাইট জ্বালানোর পর তিনি তার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে এবং তাদের সাত মাসের একটি শিশু পুত্র খাটের নিচে পড়ে থাকতে দেখেন।

এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এসে জড়ো হয়। পরে খবর পেয়ে বাহুবল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসপি হায়াতুন্নবী জানান, হত্যার কারণ জানা যায়নি। তদন্ত শেষে বলা যাবে।