১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্লু লেস ঘটনায় ছিনতাইকারী আটক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭১ টাইম ভিউ

লক্ষ্মীপুর :জেলার রামগঞ্জে এনজিওকর্মীকে কুপিয়ে ছিনতাই: ঢাকা থেকে দুর্ধর্ষ মারুফ গ্রেফতার, ক্লুলেস মামলার রহস্য উন্মোচিত।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে লাখ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ও ‘ক্লুলেস’ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা থেকে এ ঘটনার মূল হোতা দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী মারুফকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি ফরহাদ হোসেন ফাহিমকে (২৬) গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
আজ (১১ আগস্ট) পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকার সময় রামগঞ্জ থানাধীন খালপাড় রোডস্থ খলিফা বাড়ির প্রবেশদ্বার এলাকায় দীপ্ত উন্নয়ন সংস্থার এক কর্মী হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলযোগে আসা দু’জন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ছিনতাইকারীরা ভুক্তভোগীর সাথে থাকা নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, একটি হাতঘড়ি এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এনজিওর ম্যানেজার বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি পুরোপুরি ‘ক্লুলেস’ হলেও রামগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্তে নামে। তদন্তের একপর্যায়ে স্থানীয় একটি মোবাইলের দোকান থেকে ছিনতাই হওয়া অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি উদ্ধার করা হয়। মোবাইলটির সূত্র ধরে, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত আসামি ফরহাদ হোসেন ফাহিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরবর্তীতে ফাহিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল আসামি মারুফের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গত ১০ জুলাই সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) ও রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সার্বিক নির্দেশনায় এসআই সোলেমান ও এএসআই মোঃ মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল ঢাকা মহানগরীর মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ আসামি মারুফকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত মারুফ রামগঞ্জের জামতলী এলাকার মৃত রহিমের ছেলে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ছিনতাই হওয়া বাকি মালামাল ও টাকা উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমন ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ বদ্ধপরিকর।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

ক্লু লেস ঘটনায় ছিনতাইকারী আটক

আপডেটের সময় : ০৯:৩২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

লক্ষ্মীপুর :জেলার রামগঞ্জে এনজিওকর্মীকে কুপিয়ে ছিনতাই: ঢাকা থেকে দুর্ধর্ষ মারুফ গ্রেফতার, ক্লুলেস মামলার রহস্য উন্মোচিত।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে লাখ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ও ‘ক্লুলেস’ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা থেকে এ ঘটনার মূল হোতা দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী মারুফকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি ফরহাদ হোসেন ফাহিমকে (২৬) গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
আজ (১১ আগস্ট) পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকার সময় রামগঞ্জ থানাধীন খালপাড় রোডস্থ খলিফা বাড়ির প্রবেশদ্বার এলাকায় দীপ্ত উন্নয়ন সংস্থার এক কর্মী হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলযোগে আসা দু’জন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ছিনতাইকারীরা ভুক্তভোগীর সাথে থাকা নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, একটি হাতঘড়ি এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এনজিওর ম্যানেজার বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি পুরোপুরি ‘ক্লুলেস’ হলেও রামগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্তে নামে। তদন্তের একপর্যায়ে স্থানীয় একটি মোবাইলের দোকান থেকে ছিনতাই হওয়া অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি উদ্ধার করা হয়। মোবাইলটির সূত্র ধরে, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত আসামি ফরহাদ হোসেন ফাহিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরবর্তীতে ফাহিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল আসামি মারুফের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গত ১০ জুলাই সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) ও রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সার্বিক নির্দেশনায় এসআই সোলেমান ও এএসআই মোঃ মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল ঢাকা মহানগরীর মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ আসামি মারুফকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত মারুফ রামগঞ্জের জামতলী এলাকার মৃত রহিমের ছেলে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ছিনতাই হওয়া বাকি মালামাল ও টাকা উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমন ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় রামগঞ্জ থানা পুলিশ বদ্ধপরিকর।